নারিকেল দুধের চিংড়ি আর ডিমের দুটি সুস্বাদু পদ!

নারিকেল দুধের চিংড়ি আর ডিমের দুটি সুস্বাদু পদ!

নারিকেল দুধে ঝাল ডিম এবং নারিকেল দুধে গলদা চিংড়ি।

নারিকেল দুধে গলদা চিংড়ি

উপকরণ: ২ কাপ খোসাসহ গলদা চিংড়ি। ১ কাপ নারিকেলের দুধ। ১ টেবিল-চামচ আদাবাটা। ১ টেবিল-চামচ রসুনবাটা। দেড় টেবিল-চামচ মরিচগুঁড়া (ইচ্ছা মতো কমাতে কিংবা বাড়াতে পারেন)। আধা কাপ পেঁয়াজবাটা। ১ চা-চামচ জিরাবাটা। ১ টেবিল-চামচ হলুদগুঁড়া। পরিমাণ মতো তেল। স্বাদ মতো লবণ।

পদ্ধতি: প্রথমেই পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন একসঙ্গে বেটে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে বাটা মসলা দিন। মসলাগুলো হালকা লাল হলে জিরা বাটা, লবণ, মরিচ, হলুদ দিয়ে একটু কষিয়ে আগে থেকে ভালো মতো পরিষ্কার করে রাখা চিংড়ি দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। প্রয়োজনে অল্প পানি দিন।

ঢেকে বারবার নেড়েচেড়ে কষিয়ে রান্না করুন। তবে দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে চিংড়ি শক্ত হয়ে যাবে। তাই সবকিছু চট জলদি করতে হবে।

যখন চিংড়ি হয়ে আসবে তখন নারিকেলের দুধ দিয়ে দিন। চিংড়ির ঝোল কমে তেলের উপর উঠে আসলে চুলা বন্ধ করে দিন।

লবণের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখুন। নারিকেল চিংড়িতে লবণ কম দিতে হয়।

নারিকেল দুধে ঝাল ডিম

উপকরণ: ৬টি সিদ্ধ ডিম। ২ কাপ নারিকেলের দুধ। ১ টেবিল-চামচ করে আদা ও রসুন বাটা। ১ টেবিল-চামচ মরিচগুঁড়া। ১ টেবিল-চামচ পাপরিকা-গুঁড়া। আধা চা-চামচ জিরাগুঁড়া। ১ চা-চামচ হলুদগুঁড়া। আধা কাপ তেল। পরিমাণ মতো লবণ। আধা কাপ মিহিকুচি পেঁয়াজ।

নারিকেলের দুধ এখন বিভিন্ন সুপারস্টোরে ক্যান হিসেবে কিনতে পাওয়া যায় অথবা বাসায় বানিয়ে নিতে পারেন। বাসায় বানালে, নারিকেল কুড়িয়ে সামান্য পানি মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর চেপে চেপে নারিকেলের দুধটা বের করে নিন।

পদ্ধতি: ডিম সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজ হালকা লাল হলে আদা ও রসুনবাটা দিয়ে একটু ভেজে ডিমগুলো দিন।

কিছুক্ষণ পর নারিকেলের দুধ বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভাজতে থাকুন। এবার নারিকেলের দুধ দিয়ে দিন।

ডিমের ঝোল কমে তেলের উপর উঠে আসলে চুলা বন্ধ করুন।

Share This Post

Post Comment