তৈরি করে ফেলুন মজাদার মশলা ডাক রোস্ট,,

তৈরি করে ফেলুন মজাদার মশলা ডাক রোস্ট,,

শীত চলে এসেছে আর হাঁস খাওয়া হবে না, তা কি করে হয়? হাঁস খাওয়ার সবচেয়ে পারফেক্ট সময় হল শীতকাল। হাঁস রান্নাটি অন্য দশটি রান্না থেকে কিছুটা ভিন্ন। একটু মশালাদার, ঝাল না হলে খেতে ভাল লাগে না। সাধারণত আমরা হাঁস রান্না করতে নারকেল এবং নারকেলের দুধ ব্যবহার করে থাকি। অনেকের নারকেল খাওয়া নিষেধ থাকে, তারা নারকেল হাঁস খেতে পারেন না। নারকেল ব্যবহার না করেও ডাক রোস্ট তৈরি করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক মশলা ডাক রোস্ট রেসিপি।

উপকরণ:

৫০০ গ্রাম হাঁসের মাংস

১০-১৫ কোয়া রসুনের কোয়া

২ ইঞ্চি আদা কুচি

৮-১০ টি লাল মরিচ

২টি বড় আকৃতির পেঁয়াজ কুচি

১/২ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো

লবণ স্বাদমত

১/২ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো

১ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো

১ চাচামচ চিনি

১ টেবিল চামচ কিশমিশ

তেল

২টি মাঝারি আকৃতির আলু

পানি

প্রণালী:

১। প্রথমে আদা কুচি, রসুন কুচি, লবণ, হলুদ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, গোল মরিচ গুঁড়ো, লাল মরিচ, পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করে নিন।

২। এখন একটি প্যানে হাঁসের মাংস,তেল, মশলার পেস্ট দিয়ে মিশিয়ে নিন।

৩। এবার এটি ৩০ মিনিটের জন্য ম্যারিনেট করতে দিন।

৪। এখন আরেকটি প্যান চুলায় গরম করতে দিন। এতে কিউব করে কাটা আলুর টুকরোগুলো দিয়ে দিন।

৫। হালকা করে ভাজুন।

৬। আরেকটি প্যানে ম্যারিনেট করা মাংস চুলায় দিয়ে ৫ মিনিট জ্বাল দিন।

৭। এবার এতে চিনি, কিশমিশ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।

৮। তারপর পানি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।

৯। ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে ২০ মিনিট রান্না করুন।

১০।  এরপর ভাজা আলু, ধনে পাতা কুচি দিয়ে নাড়ুন।

১১। ঢাকনা দিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে রান্না করুন।

১২। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মশালাদার ডাক রোস্ট।

১৩। পরোটা, পোলাও, সাদা ভাত সবকিছুর সাথে খেতে পারেন এই মজাদার খাবারটি।

Share This Post

Post Comment