জাতীয়

ফটিকছড়ি উত্তরে তিন ইউনিয়নে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল, স্তব্ধ সড়কপথ

২৭ জুলাই ২০২৬
ফটিকছড়ি উত্তরে তিন ইউনিয়নে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল, স্তব্ধ সড়কপথ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর স্থানান্তরের দাবিতে ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালে স্থবির হয়ে পড়েছে গণপরিবহন চলাচল।

চট্টগ্রামের সদ্যঘোষিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের স্থান পরিবর্তনের দাবিতে তিনটি ইউনিয়নে ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবারেও সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি এবং এলাকার সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। এর আগে রবিবারে হরতালের বিপক্ষে পাল্টা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলেও সোমবারে সে ধরনের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

আন্দোলনরত পক্ষগুলোর অভিযোগ, বর্তমানে নির্ধারিত পশ্চিম ভূজপুর মৌজা এলাকাটি উপজেলার একদম দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত। এর ফলে সীমান্ত এলাকার বাগানবাজার ও হেঁয়াকোর বাসিন্দাদের সাধারণ প্রশাসনিক সেবার জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। এ ভোগান্তি নিরসনে তারা দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের মধ্যবর্তী কোনো উপযুক্ত স্থানে উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণের জোর দাবি জানান।

হরতালের দ্বিতীয় দিনে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতাকর্মীরা বালুটিলা, চিকনছড়া, গার্ডের দোকান, হেঁয়াকো, দাঁতমারা, শান্তিরহাট ও নারায়ণহাট এলাকায় মিছিল ও পিকেটিং করেন। তবে কোথাও কোনো ধরনের ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা অপ্রীতিকর সংঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র, ওষুধের দোকান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল।

এই কর্মসূচির কারণে ঢাকা-ফেনী-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের সংশ্লিষ্ট অংশ এবং ফেলাগাজী দিঘি-হেঁয়াকো সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল থেমে যায়। ফলে দুর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকেরা। ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দে জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে জেলা থেকে অতিরিক্ত ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ফটিকছড়িহরতালচট্টগ্রামউপজেলা সদর দপ্তর