জাতীয়

ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ জন গ্রেপ্তার, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

২৬ জুলাই ২০২৬
ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ জন গ্রেপ্তার, কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
কলকাতার ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, গ্রেপ্তারদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কলকাতার ধর্মতলায় প্রতিবাদ মিছিলের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত গ্রেপ্তারদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (২৬ জুলাই) পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মতলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীদের মধ্যে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এই ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও তিনি পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। গত শুক্রবার বিকেলে ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও সিজেপির উদ্যোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল বের হয়। মিছিলের সময় একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। বোতল নিক্ষেপে ছয়জন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা হয়েছে। আহত সাংবাদিকরা অধিকাংশ মামলা করেছেন এবং একটি মামলা পুলিশ স্বপ্রণোদিতভাবে করেছে। অন্যদিকে, ধর্মতলার কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা করা হয়েছে। বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ধর্মতলাহামলাশুভেন্দু অধিকারীসাংবাদিকপশ্চিমবঙ্গ