জাতীয়

জুমার দিনে ১০টি বিশেষ করণীয়: আত্মিক জাগরণ ও আল্লাহর রহমত

১৩ আগস্ট ২০২৬
জুমার দিনে ১০টি বিশেষ করণীয়: আত্মিক জাগরণ ও আল্লাহর রহমত
জুমার দিনকে পূর্ণাঙ্গভাবে পালন করতে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা, সুরা কাহফ পাঠ, দরুদ, মসজিদে হেঁটে যাওয়া, খুতবা শোনা ইত্যাদি ১০টি বিশেষ করণীয় তুলে ধরা হয়েছে।

জুমার দিন ইসলামি সংস্কৃতিতে ‘সাপ্তাহিক ঈদের দিন’ হিসেবে পরিচিত। এটি আত্মিক জাগরণ, পাপমুক্তি এবং আল্লাহর রহমত অর্জনের এক মহিমান্বিত সুযোগ।

প্রথমে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা জরুরি। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেকে পরিপাটি করা সুন্নতি। নখ কাটা, গোসল, মিসওয়াক ও সুগন্ধি ব্যবহার করে শরীর ও মনকে ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করা উচিত।

সুরা কাহফ পাঠ করাও বিশেষ আমল। হাদিসে বলা হয়েছে, জুমার দিনে সুরা কাহফ পড়লে এক জুমা থেকে অপর জুমা পর্যন্ত আলোর দ্যুতি ছড়িয়ে যায়।

দরুদ পাঠের সওয়াবও বহুগুণ বাড়ে। জুমার দিনকে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বিবেচনা করে দরুদ পাঠ করলে তা আল্লাহর কাছে পেশ হয়।

মসজিদে হেঁটে যাওয়া ও খুতবা শোনা গুরুত্বপূর্ণ। ফেরেশতারা মসজিদের দরজায় অবস্থান করেন এবং আগমনকারীদের নাম লিখে রাখেন। প্রথমে আসলে উট কুরবানি, পরে গাভী, দুম্বা, মুরগি ও ডিমের সওয়াব পাওয়া যায়।

খুতবা শোনার সময় নীরব থাকা ও কথা না বলা ওজিব। ইমাম খুতবা দিলে পাশের সঙ্গীকে ‘চুপ থাকো’ বলা নিষেধ।

জুমার ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা আবশ্যক। সুরা জুমুআর আয়াতে বলা হয়েছে, নামাজের সময় ক্রয়-বিক্রয় বা কাজকর্ম বন্ধ করে আল্লাহর স্মরণে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

জুমার দিনে আল্লাহর কাছে চাওয়া হলে তা অবশ্যই কবুল হয়। হাদিসে উল্লেখ আছে যে আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত বা মাগরিবের মধ্যবর্তী সময় বিশেষ, সেই সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত।

অলসতা ত্যাগ করে এই সুন্নতি আমলগুলো নিয়মিত পালন করলে জীবন বরকত ও প্রশান্তিতে ভরে উঠবে।

জুমাসুরা কাহফদরুদমসজিদখুতবা