কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিরুদ্ধে শিল্পীদের আইনি যুদ্ধ, কিছু মামলায় বিজয়

লেখক, শিল্পী এবং সঙ্গীতজ্ঞরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামছেন। অনেকের মামলায়ই এখন পর্যন্ত ভালো সাফল্য পাওয়া গেছে। যদিও এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে, তবু আদালতে বিজয়ের আশা করে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন।
লেখক কর্ক ওয়ালেস জনসন তার বইগুলো এআই ট্রেনিং ডেটাসেটে পাওয়া গেলে ক্ষুব্ধ হন। তিনি দাবি করেন, তার বইগুলো চুরি করে এআই কোম্পানিগুলো ব্যবহার করেছে। এরপর তিনি একটি আইন ফার্মের মাধ্যমে এনথ্রপিক কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তিনি এই মামলাটিকে সৃজনশীল মানুষদের পক্ষে একটি প্রতিবাদ হিসেবে দেখেন।
ইলাস্ট্রেটর সারা অ্যান্ডারসন এবং অন্যান্য শিল্পীরা স্ট্যাবিলিটি এআই, মিডজার্নি এবং রানওয়ে এআইয়ের বিরুদ্ধে ক্লাস অ্যাকশন মামলা করেন। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে এই মামলা চলছে। অন্যদিকে, সঙ্গীতজ্ঞ স্যাম কোগন গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তিনি দাবি করেন, গুগল তাদের নিজস্ব শর্ত লঙ্ঘন করে ইউটিউবের ডেটা ব্যবহার করে এআই তৈরি করেছে।
শিল্পীরা মনে করেন, বড় টেক কোম্পানিগুলো শিল্পকলার মূল্য বোঝে না। তারা তাদের কাজকে শুধু একটি অ্যালগরিদমে পরিণত করছে বলে অভিযোগ করেন। যদিও কিছু মামলা এখনও চলমান, তবু শিল্পীরা আশাবাদী যে তাদের প্রচেষ্টা এআই ব্যবহারের আইনি সীমানা নির্ধারণে সাহায্য করবে।