‘আইস ক্রিম ম্যান’-এ এআই ব্যবহারের কথা স্বীকার করলেন এলি রোথ

আগামী ৭ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা পরিচালক এলি রোথের হরর চলচ্চিত্র ‘আইস ক্রিম ম্যান’। মুক্তির কয়েকদিন আগেই রোথ স্বীকার করেছেন যে, চলচ্চিত্রের কিছু দৃশ্য তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হয়েছে। আগে তিনি দাবি করেছিলেন যে, চলচ্চিত্রের অ্যানিমেটেড অংশগুলো তিনি নিজে আঁকিয়েছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় চলচ্চিত্রজুড়ে এআইয়ের ব্যাপক ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে এবং ডার্ক হাফ নামক এআই ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট স্টুডিওর জড়িত থাকার কথা বলা হয়। এর জবাবে মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে রোথ জানান, চলচ্চিত্রের মাত্র কয়েকটি দৃশ্যের খুব ছোট অংশে এআই ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ভুল কথা বলেছিলাম। এআই ব্যবহার করা হয়েছে খুব সামান্য পরিমাণে। এটি ছিল এমন একটি সুযোগ যেখানে প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতা মিলে আমার চলচ্চিত্রের ভিশন বাস্তবায়নে সাহায্য করেছে।’
পূর্বে রোথ পলিগনকে বলেছিলেন যে, চলচ্চিত্রের একটি অংশে কার্টুন রয়েছে যা শিশুদের মনোযোগ আকর্ষণ করে তাদের খুনীতে পরিণত করে। তিনি দাবি করেছিলেন যে, ১৯২০-এর দশকের মিকি মাউসের একটি কার্টুন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি প্রথমে অ্যানিমেটেড অংশগুলো নিজে আঁকিয়েছিলেন। পরে অ্যানিমেটররা তা আরও মসৃণ করতে সাহায্য করে এবং একজন শিল্পী তাতে ‘পুরনো দিনের কাঁপুনি ভাব’ যুক্ত করেন।
রোথ এবং ডার্ক হাফের প্রতিনিধিরা ভ্যারাইটির প্রাথমিক মন্তব্যের অনুরোধের কোনো জবাব দেননি। এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তা লুকানোর চেষ্টা দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে, যারা নতুন চলচ্চিত্র সমর্থন করতে আগ্রহী। এর আগে ‘লেট নাইট উইথ দ্য ডেভিল’ পরিচালক ক্যামেরন এবং কলিন কের্নও এআই ব্যবহারের ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। আবার ‘স্টপ দ্য ট্রেন’ পরিচালক অ্যাডাম শ্যাঙ্কম্যান দাবি করেছিলেন যে, তার চলচ্চিত্রে এআই দিয়ে তৈরি কোনো শট নেই এবং সবকিছু মানুষের হাতে তৈরি।