ওজন কমাতে চান তাহলে পান করুন ?

ওজন কমাতে চান তাহলে পান করুন ?
ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সকলেই খাবারের প্রতি বেশিই নজর দেন। কিন্তু কেউই ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ডায়েটিংয়ের সময় কেমন পানীয় পান করা উচিৎ তা বলে দেন না। এই বিষয়টি বেশ জরুরী। দেখা গেলো আপনি অনেক সতর্কতার সাথেই নিয়ম মেনে ডায়েট ও ব্যায়াম করছেন কিন্তু পানীয়ের দিকে নজর দিলেন না। এতে করে কিন্তু ফলাফল শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই জেনে নিন ওজন কমাতে চাইলে ডায়েটিংয়ের পাশাপাশি কোন পানীয়গুলো পান করা উচিত।

১) বরফ ঠাণ্ডা পানি

বরফ ঠাণ্ডা পানি আপনার দেহে প্রবেশের পর তা দেহের তাপমাত্রার সাথে মানানসই করতে বাড়তি ১০০ ক্যালরি খরচ করে। এতে করে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকে। এছাড়াও খাওয়ার আগে পানি পান করে নিলে আপনা আপনিই খাওয়ার চাহিদা একটু কমে আসে। এতে করেও ওজন কমতে সাহায্য করে।

২) ফ্যাটবিহীন দুধ

৮ আউন্স ফ্যাটবিহীন দুধে রয়েছে মাত্র ১২০ ক্যালরি। এছাড়াও দুধ প্রোটিন বলে আমাদের হজম হতে একটু দেরি হয়, এতে করে অনেকটা সময় ক্ষুধার উদ্রেক করে না। এভাবেও দুধ ওজন কমাতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিনের ডায়েট চার্টে দুধ রাখুন।

৩) গ্রিন টী

গ্রিন টীতে সত্যিকার অর্থেই শূন্য ক্যালরি রয়েছে। তাই যারা চা ছাড়া একেবারেই থাকতে পারেন না তারা ডায়েটিংযের সময় চায়ের অভাব গ্রিন টীয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারেন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি গ্রিন টী স্বাস্থ্য রক্ষাতেও বিশেষভাবে কার্যকরী।

৪) চিনিবিহীন কমলার জুস

বাড়তি চিনি যুক্ত না করে শুধু কমলার রস দিয়ে জুস তৈরি করে ৮ আউন্স জুস পান করলে আপনার দেহে প্রবেশ করবে মাত্র ১১৫ ক্যালরি। এছাড়াও কমলার ভিটামিন সি আপনার দেহের ফ্যাট দূর করতে সহায়তা করবে।

৫) সবজির জুস

পেন. স্টেটসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে চিনিবিহীন বা অল্প ডায়েট চিনি সমৃদ্ধ যে কোনো সবজির জুস খাওয়ার আগে পান করে নিলে আপনার খাওয়ার চাহিদা অনেক কমে যাবে। এবং এতে করে আপনি ১৩৫ ক্যালরির বেশি খাবার গ্রহন করতে পারবেন না। সুতরাং এভাবেও ওজনটা কমিয়ে নিতে পারবেন।

Share This Post

Post Comment