দেখে নিন কোন ত্বকে কেমন ফাউন্ডেশন

দেখে নিন কোন ত্বকে কেমন ফাউন্ডেশন

 দেখে নিন কোন ত্বকে কেমন ফাউন্ডেশন

 

পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা সাজ থাকা চাই-ই। কিন্তু বিয়ে, জন্মদিন বা পার্টিসাজে চাই একটু ভারি সাজ। সে সাজের প্রথমেই আসে ফাউন্ডেশানের কথা। সুন্দর একটি মেকআপ করতে হলে ফাউন্ডেশন দিতেই হয়।

কারণ, ফাউন্ডেশন দেওয়ার পর মেকআপের বেইজটা গায়ের রঙের সঙ্গে ভালোভাবে মেলানো সম্ভব হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই ত্বক অনুযায়ী ফাউন্ডেশন ব্যবহার করি না। এর ফলে ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর মেকআপ মুখের ওপর ভেসে থাকে, ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। তাই চট করে দেখে নিন কোন ত্বকে কোন ফাউন্ডেশন উপযোগী।

শুষ্ক ত্বকের জন্য

পাউডার বেইজড ফাউন্ডেশন শুষ্ক ত্বককে আরও শুষ্ক করে ফেলে। তাই এ ক্ষেত্রে ক্রিম বেইজড লিকুইড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে পারেন। স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকেও ক্রিম বেইজড ফাউন্ডেশন ভালো মানায়। এই ফাউন্ডেশন ত্বকের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়। এই ফাউন্ডেশন ব্যবহারের ফলে ত্বক অনেক বেশি নরম ও মসৃণ মনে হয়।

স্বাভাবিক ত্বকের জন্য

লোশন বেইজড ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ত্বকের জন্য বেশ কার্যকর। এছাড়া ময়েশ্চারাইজার বেইজড ফাউন্ডেশনও ব্যবহার করতে পারেন। এই ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর ত্বকে মেকআপের বেইজড ভালোভাবে সেট হয় এবং মুখে মেকআপ ভেসে থাকে না। লোশন ফাউন্ডেশন পুরো মুখে সমানভাবে ব্লেন্ড হয় এবং ত্বক স্বাভাবিক মনে হয়।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য

ওয়াটার বেইজড ফাউন্ডেশন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ভালো। এই ফাউন্ডেশন ব্যবহারে ত্বকে তেলতেলে ভাব থাকে না। এছাড়া পাউডার বেইজড ফাউন্ডেশনও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কার্যকর। একটি ব্রাশ দিয়ে পুরো মুখে ভালো করে পাউডার ফাউন্ডেশন লাগান। এতে ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল বের হওয়া বন্ধ হবে। পুরো সময় জুড়ে মেকআপ থাকবে অটুট।

ফাউন্ডেশান ব্যবহারের সময়-

– মুখে হালকা করে ফাউন্ডেশান দিন।

– ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর চাইলে প্যানকেক ব্যবহার করতে পারেন, আবার নাও করতে পারেন।

– ফাউন্ডেশন ক্রিমের মতো সরাসরি মুখে ব্যবহার করবেন না। হাতের ওপর সামান্য ফাউন্ডেশন নিয়ে ব্রাশ দিয়ে মুখে ভালো করে ব্লেন্ড করে দিন।

– ফাউন্ডেশন ব্যবহারের পর ফিনিশিং পাউডার দিয়ে মেকআপ সেট করে নিন। এতে মুখে তেলতেলে ভাব থাকে না।

– ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এক ফোঁটা পানি মিশিয়ে নিলে পাতলা হয়ে মুখে মিশে যাবে। এতে মেকআপ ভারী হবে না এবং স্বাভাবিক ত্বক মনে হবে।

Share This Post

Post Comment