আমিষ বাহারে অষ্টমী আয়োজনে !

আমিষ বাহারে অষ্টমী আয়োজনে !

দুর্গাপূজা মানেই ইচ্ছেঘুড়ি চেপে শরতের নীলাকাশে উড়াউড়ি। আড্ডার সঙ্গে জমপেশ খাওয়া-দাওয়া। তাই মুখোরোচক খাবার পেটে না পড়লেই নয়। পূজার পাঁচ দিনই চায় ভিন্ন ভিন্ন খাবার আয়োজন। পূজার তৃতীয় দিন অর্থাৎ অষ্টমীর খাবার প্লেটে চাই আমিষ। সাদা ভাতের সঙ্গে দারুন জমবে চিংড়ির মালাইকারি আর মুড়িঘণ্ট।

চিংড়ির মালাইকারি

যা যা লাগবে

মাঝারি চিংড়ি আধা কেজি, নারকেলের দুধ ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, গোল মরিচের গুড়া ১ চা চামচ, লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ২ থেকে তিনটা, পেঁয়াজ বাটা ২ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, এলাচ গুড়া সামান্য, লবণ পরিমান মতো, সয়াবিন তেল ১৫০ গ্রাম।

যেভাবে করবেন

কড়াইয়ে সামান্য তেলে চিংড়িগুলো হালকা ভেজে নিতে হবে। এবার চিংড়ি নামিয়ে বাকি তেল গরম করুন। এরপর নারকেলের দুধ ছাড়া অন্য সব উপকরণ দিয়ে ভাল করে কষাতে হবে। কষানো হলে চিংড়ি আর ১ কাপ পানি দিয়ে কড়াই ঢেকে রাখুন কিছক্ষণ। অল্প আঁচে সেদ্ধ হওয়ার পর নারিকেলের দুধ, কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার ঢেকে দিন। ঝোল ঘন হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

মুড়িঘণ্ট

যা যা লাগবে

মুগডাল ২৫০ গ্রাম, বড় রুইমাছের মাথা ১টা, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, আদা বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, গরম মসলা বাটা ২ চা চামচ, মরিচ গুঁড়া ২ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া, লবণ পরিমান মতো, সয়াবিন তেল আধা কাপ।

যেভাবে করবেন

প্রথমে তেলে মাছের মাথাটা ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। এরপর সামান্য তেলে মুগডাল লালচে করে ভেজে নিন। খেয়াল রাখুন যেন পুড়ে না যায়। এবার দেড় কাপ পানি দিয়ে সেদ্ধ হতে দিতে হবে। অন্য কড়াইয়ে তেল দিয়ে সব মসলা কষাতে হবে। মাছের মাথাটা ভেঙে ওই মসলায় কষিয়ে নিন।

তারপর সেদ্ধ ডাল আর ১ কাপ পানি ও মসলায় ঢেলে দিয়ে ঢেকে রাখুন কিছুক্ষণ। এবার নামিয়ে এনে পরিবেশন করুন ইচ্ছামতো।

Share This Post

Post Comment