চুলের জন্য যা ভালো না

চুলের জন্য যা ভালো না
চুলের জন্য যা ভালো না
চুলের জন্য যা ভালো না

সৌন্দর্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুলের জন্য ক্ষতিকর এমনই কিছু কাজের বিষয় উল্লেখ করা হয়।

পুরানো স্টাইলিং টুলস ব্যবহার

পুরানো চিরুনি এবং ‘স্টাইলিং টুলস’ ব্যবহার চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

নিউ ইয়র্কের ট্রিকলজিস্ট এলিজাবেথ কুনানে ফিলিপস বলেন, “প্রতিবার চুল আঁচড়ানোর পর চিরুনি থেকে এবং স্টাইলিং টুলস থেকে ঝরে পড়া চুল পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।”

তাছাড়া মাসে অন্তত একবার বেকিং সোডা ও পানি দিয়ে চিরুনি পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

শক্ত এলাস্টিক ব্যবহার

চুল বাঁধতে সব চেয়ে ভালো হল নরম কাপড়ে মোড়ানো ইলাস্টিক ব্যান্ড। চিকন ও সিনথেটিক ইলাস্টিক, চুলের জন্য ক্ষতিকর। তাছাড়া বেশি শক্ত করে চুল বেঁধে রাখলেও চুলের ক্ষতি হতে পারে। তাই চুল খোলার সময় ইলাস্টিক ব্যান্ড ধরে বেশি জোরে টানাটানি করা ঠিক নয়। ববি পিন বা হেয়ার ক্লিপ খোলার সময়ও চুলে যেন টান না পড়ে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

চুলে অতিরিক্ত কেমিক্যল ব্যবহার

শরীরের ত্বক ও চুলের জন্য কৃত্রিম উপাদান ক্ষতিকর। চুলে অতিরিক্ত রং, কেমিকলযুক্ত শ্যাম্পু ইত্যাদি ব্যবহার করলে চুলের ক্ষতি হয় এবং চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়। তাই চুলের যত্নে যতটা সম্ভব কম কেমিকলযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে।

চুলকে তাপ থেকে রক্ষা না করা

ফিলিপস বলেন, “চুলে স্ট্রেইটনার, কার্লার বা অন্য কোনো গরম স্টাইলিং টুলস ব্যবহার করার আগে অবশ্যই চুলে হিট প্রোটেক্টিং স্প্রে দিয়ে নেওয়া উচিত। এটি চুলের আর্দ্রতা বজায় রেখে চুল ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা কমায়।”

প্রতিবার স্টাইলিং টুলস ব্যবহার করার আগে এমনভাবে ‍চুলে হিট প্রোটেকক্টিং স্প্রে দেওয়া উচিত যেন তা প্রতিটি চুলে ভালোভাবে ছড়ায়।

দীর্ঘদিন চুলের আগা না ছাটা

আগা ফাটার কারণে চুল ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে যায়। তাই নিয়ম করে চুলের আগা ছাটা দরকার। প্রতিমাসে আধা ইঞ্চি করে চুলের আগা ছেটে নেওয়া উচিত। এতে চুলের আগা ফাটার সমস্যা কমে এবং চুল সুস্থ থাকে। চুলের আগা ফেটে গেলে চুলের বৃদ্ধিও থেমে যায়।

একসঙ্গে পুরো চুল ব্রাশ করা

গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পুরো চুল একসঙ্গে ব্রাশ করার কারণে চুল ছিড়ে যেতে পারে। তাই চুল কয়েক ভাগে ভাগ করে নিয়ে অল্প অল্প করে চুল আঁচড়ে নিতে হবে।

চুলের নিচের অংশের জট ছাড়িয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে চুলের গোড়ার দিকে আঁচড়াতে হবে। এতে চুল ঝড়ে পড়ার সম্ভাবনা কমবে।

ভেজা চুলে জোর খাটানো

ভেজা অবস্থায় চুল দুর্বল থাকে বলে সহজেই ঝড়ে পরে। তাই ভেজা চুল আঁচড়াতে মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া চুল মোছার সময়ও বেশি জোরে ঘষাঘষি করা উচিত নয়।

একই ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার

অনেকেই কিছুদিন পর পর শ্যাম্পু বদলে থাকেন। এতে চুলের তেমন কোনো উপকার হয় না।

ফিলিপস বলেন, “চুলের অবস্থার পরিবর্তন হলে শ্যাম্পু বদলে নেওয়া উচিত। যেমন রং করা চুল এবং রিবন্ডিং করা চুলের জন্য ভিন্ন ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত।”

Share This Post

Post Comment