দ্রুত ওজন কমাতে রোজ সকালে খালি পেটে পান করুন

দ্রুত ওজন কমাতে রোজ সকালে খালি পেটে পান করুন

135

আপনার দিন শুরু হয় কী দিয়ে? নিশ্চয়ই এক কাপ চা বা কফি! আজ থেকে ভুলে যান এসবের কথা, বরং ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে সকালে খালি পেটে পান করুন এই পানীয়টি। শুধু যে ওজন কমবে, তাই কিন্তু নয়। সাথে সুন্দর হয়ে উঠবে ত্বক, পরিষ্কার হবে লিভার, শরীর থেকে বের হয়ে যাবে টক্সিক উপাদান এবং আপনার হজম ক্ষমতা হয়ে উঠবে আরও উন্নত।

কী সেই জাদুকরী পানীয়? চলুন শিখে নিই।

অর্ধেকটি পাকা বাতি লেবুর রস নিন। এর সাথে এক চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার যোগ করুন একটি সিরামিকের মগে (ধাতব কিছু ব্যবহার করবেন না) । এবার মগটির ৩/৪ অংশ ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে ভরে নিন। তারপর প্রয়োজন মত সাধারণ তাপমাত্রার পানি যোগ করুন। পানীয়টি কুসুম কুসুম গরম থাকবে। এবার এই পানীয়টি সকালে খালি পেটে পানি করে ফেলুন। হ্যাঁ, একদম খালি পেটে। কোন খাবার বা পানীয় খাওয়ার আগে। আর পাকা বা বাতি লেবুর রসটাই ব্যবহার করবেন, নতুবা তীব্র এসিডিটি হতে পারে। আপনি চাইলে যোগ করতে পারেন এক চামচ অরগানিক মধু। কৃত্রিম মধু যোগ করে কোন লাভ নেই। আপেল সাইডার ভিনেগার যে কোন সুপার শপে কিনতে পারবেন। মন খারাপ? তাহলে যোগ করুন এক চা চামচ দারুচিনি পাউডার। মন ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া মধু ও দারচিনি এই পানীয়কে একদিকে যেমন মজাদার করে তুলবে। অন্যদিকে বৃদ্ধি করবে এর কার্যকারিতা।

কীভাবে কাজ করে?
সকালে খালি পেটে এই চমৎকার পানীয়টি আপনার হজম ক্ষমতাকে উন্নত করে, খাদ্য হতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি আহরণে দেহকে সহায়তা করে। এই পানীয়টি বাড়ায় মেটাবলিজম ক্ষমতা। এই মেটাবোলিজম রেট কমের কারণেই কিন্তু পরিমাণে খুব খেয়েও কারো কারো ওজন ভীষণ বাড়তে থাকতে। মেটাবোলিজম বাড়লে আপনি যা খাবেন সেটা হজম হয়ে যাবে, শরীরের জমবে না। শুধু ওজন কমানই নয়, মিষ্টি খাবারের প্রতি আশক্তি দূর করে এই দারুণ চমৎকার পানীয়টি। এবং সকালে এই পানীয় দিয়ে দিন শুরু করলে বাকি দিন অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার প্রবণতাও রোধ করা যায়।

লেবু একটি ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেনট, এর আছে অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী। প্রচুর ভিটামিন সি, বায়ো ফ্ল্যাভনয়েড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম সহ নানান রকমের ভিটামিন ও মিনারেল দিয়ে পরিপূর্ণ এই লেবু। যা কেবল ওজন কমাতেই সহায়তা করে না, বরং আপনার দেহের আরও অসংখ্য উপকার করে থাকে।

অন্যদিকে আপেল সাইডার ভিনেগারেরও আছে অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী। শুধু তাই নয়, বহু বছর যাবত এটা ব্যবহৃত হয়ে আসছে নানান রকমের ঘরোয়া চিকিৎসায়। শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন ভালো রাখে, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেসটোরল নিয়ন্ত্রনে রাখে।

Share This Post

Post Comment