ধনেপাতার অসাধারণ গুণাগুন

ধনেপাতার অসাধারণ গুণাগুন

119

ধনেপাতার সালাদ, ভর্তা জুসের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। সবজির স্বাদ বাড়াতে সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায় ধনেপাতা। তবে শীতকালে এর আধিক্য থাকে। আসুন আজ জেনে নেয়া যাক, গুণে ভরা উপকারী ও স্বাদবর্ধক ধনেপাতার কিছু অসাধারণ গুণ।

ধনে পাতায় পাওয়া যায় ভিটামিনে ‘এ’, ‘সি’ ও ফলিক অ্যাসিড। ফলিক অ্যাসিড ত্বকের ত্বক ও চুলের ক্ষয় রোধ করে। মুখের ভেতরের নরম অংশগুলোকে রক্ষা করে ক্যান্সার থেকে। ধনেপাতার ভিটামিন ‘এ’ রাতকানা রোগ নিরাময়ে ভুমিকা রাখে।

আমাদের শরীরে এলডিএল নামের একটি ক্ষতিকর কোলেস্টরেলে আছে। এই কোলেস্টরেল শিরা উপশিরায় দেয়াল সৃষ্টি করে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচলে বাধা দেয়। ফলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ধনেপাতা ক্ষতিকর কোলেস্টরেল কমিয়ে উপকারী এইচডিএলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। রক্ত পরিস্কার রাখে।

ধনে পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ‘কে’। হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে ক্ষত স্থান দ্রুত সারিয়ে তোলে ভিটামিন ‘কে’। ধনেপাতায় রয়েছে আলজিমারস নামের একটি উপাদান, যা মস্তিষ্কের রোগ নিরাময়ে সহায়তা করে। নিয়মিত ধনে পাতা খেলে শীতকালীন ঠোঁট-ত্বক ফাটা, জ্বর জ্বর ভাব থেকে রক্ষা করে। দেহের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দমনেও ধনেপাতা খুবই উপকারী। এছাড়াও

  •  হজমে সাহায্য করে ও পাকস্থলীর প্রদাহ রোধ করে।
  • বাত থেকে মুক্ত রাখে।
  •  মূত্রথলির প্রদাহ রোধ করে।
  •  অন্ত্রের গ্যাস সৃষ্টি থেকে মুক্ত রাখে।
  • রক্তে লৌহেরে একটি ভাল উৎস।
  • ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদা পূরণ করে।
  • ধনে পাতা শরীরকে ঠাণ্ডা করে। এলার্জী, আমবাত, ফোঁড়া ও তীব্র চুলকানি হলে ধনে পাতা পেস্ট করে লাগালে ভাল কাজ দেয়।
  •  যে সকল নারী খুব বেশি মাসিক প্রবাহে ভোগেন তাদেরও জন্যও এটি ভাল কাজ দেবে।

Share This Post

Post Comment