ধুমপান শরীরে রক্ত প্রবাহ ও অক্সিজেনের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে

ধুমপান শরীরে রক্ত প্রবাহ ও অক্সিজেনের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে

93

সিগারেটের একটি টানের ধোঁয়ার মধ্যে পনের মিলিয়ন বস্তুর ক্ষুদ্র কণা থাকে যার কিছু অংশ মানুষের জন্য প্রাণনাশক। এগুলোর মধ্যে আছে নিকোটিন, মিথাইল অ্যালকোহল, কার্বন মনোক্সাইড, ফরমালডিহাইট, আরসেনিক, বেনজোপাইরিন, এবং অন্যান্য কতিপয় এসিড। নিকোটিন রক্ত ধমনীর আকারকে সংকুচিত করে দেয় যা শরীরে রক্ত প্রবাহ ও অক্সিজেনের প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে।ইহা হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়, রক্ত ধমণীর সংকোচন এবং হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি উচ্চ রক্ত চাপের ঝুকি বাড়ায় যা হৃদরোগ সৃষ্টি করে, বেনজোপাইরিন প্রণী ও মানুসের মধ্যে শক্তিশালী ক্যান্সার ঘটনার বাহক।

 

আরসেনিক যা ক্যান্সার ঘটায় তা তামাক জাতীয় গাছে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তামাকের মন্ড ও ক্যান্সার সৃষ্টিকারী। ইহা ফুসফুসের ভিতরে বাদামী আঠাল বস্তুপিন্ড গঠন করে। সিগারেটের ধোঁয়ার শুদ্ধ প্রবাহ শ্বাসনালীর টিউবের ভিতরে সিলিয়ার কার্যাবলী মন্তর করে দেয় এবং পরিনামে ঐ গুলোকে ধবংস করে দেয়। চুলের মত জিনিসগুলো সাদারণত ফুসফুস থেকে জীবাণু, মিইকাস ও ময়লা অপসারনের জন্য ঝাড়- হিসেবে কাজ করে। তামাকের ধোঁয়াতে বিদ্যমান কার্বণ মনোক্সাইড লোহিত রক্ত কনিকা তেকে অক্সিজেন বের করে। ধুমপায়ীর রক্তে কার্বণ-মনোক্সাইডের আস্তরণ অধুমপায়ীর চেয়ে পাঁচ গুন বেশী। একজন লোক ধুমপান শেষ করার ছয় ঘন্টার মধ্যে কার্বণ মনোক্সাইড শরীরের ভিতরে অক্সিজেন সরিয়ে রক্ত প্রবাহের মধ্যে অবস্থান করে। তাছাড়া ধুমপান চোখে জ্বালা ঘটায়, নাকে অস্বাস্তি সৃষ্টি করে এবং মনকে অস্থির করে। অধুমপায়ীর জন্য গন্ধটা প্রায়ই অসহনীয় এবং বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটায়। তাই ধুমপানকে যতটুকু মোহনীয় মনে কর তা ততটুকু নয়। যদি তুমি ধুমপানে অভ্যস্ত থাকো তাহলে তোমার তা বন্ধ করা উচিত। ইহা মোটেই কস্টকর নয়।

Share This Post

Post Comment