ঘন চুলের দাওয়াই

ঘন চুলের দাওয়াই

122

পুষ্টি আসলে ভেতর থেকে আসা প্রয়োজন। এজন্য দরকার ঠিক ঠিক খাবার-দাবার। চুলে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের প্যাক না লাগিয়ে সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। তাতে উপকার পাওয়া যাবে বহুমুখী। স্বাস্থ্যকর, সুন্দর ঝলমলে চুলের জন্য প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, মিনারেল ও ভিটামিন প্রয়োজন। পুষ্টিহীনতা এবং অতিরিক্ত ডায়েট চুল পড়ার জন্য দায়ী। আমরা যা খাই তার মিনারেল ও ভিটামিন প্রথমে কাজে লাগে আমাদের শরীরের অপরিহার্য অংশগুলোয় (ভাইটাল অরগান), তারপর হেয়ার ফলিকল ও নখ ছাড়া শরীরের বাকি অংশ পুষ্টি গ্রহণ করে। পুষ্টি চুলের গোড়ায় অনেক পরে গিয়ে পৌঁছে।

গাজর

গাজরের ভিটামিন এ মাথার স্কাল্পকে স্বাস্থ্যকর করে, চুল উজ্জ্বল করে। গাজর সিরাম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সিরাম দ্রুত চুল গজাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের জুস খেতে পারেন।

পাকা টমেটো

টমেটোতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা মাথার স্কাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এর কারণে চুলের ফলিকল স্টিমুলেট হয়। একটি পাকা টমেটো দিয়ে জুস বানিয়ে খেয়ে নিন।

আমলকী

আমরা সবাই চুলের যত্নে আমলকীর গুঁড়া ব্যবহার করি। তবে লবণ দিয়ে চার থেকে পাঁচটি আমলকী চিবিয়ে খেলেও চুল পড়া অনেকাংশে রোধ হবে। আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা নতুন চুল গজাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনি চুল পড়া রোধ করে। এ ছাড়া চুল ঘন হয়।

 কিউই

বিদেশি ফল কিউইতে ভিটামিন সি রয়েছে। একটি কিউইতে একটি কমলার চেয়ে দুই গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। এই ভিটামিন সি চুলের পুষ্টি জোগায় এবং চুল গজাতে সাহায্য করে। জুস বানিয়ে প্রতিদিন এক গ্লাস খেতে পারেন।

পালং শাক

পালং শাক চুলের বৃদ্ধির জন্য উপকারী। এতে ভিটামিন এ, সি এবং প্রচুর প্রোটিন আছে। এই উপাদানগুলো চুলের স্কাল্পে তেল উৎপন্ন করে চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়। ভিটামিন এ ও সি-এর অভাবে চুলের বৃদ্ধি যেমন ব্যাহত হয়, তেমনি চুল নিষ্প্রাণ হয়। এতে আছে ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এই দুটি উপাদানও চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়। এর অভাবে চুল পাতলা, ভঙ্গুর ও নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে। পাতলা চুলের বৃদ্ধি খুব ধীরে।

এলোভেরা

এলোভেরায় থাকা অ্যামাইনো এসিড, প্রোটিন, মিনারেল ও ভিটামিন, বিশেষ করে এ, সি, ই ক্ষতিগ্রস্ত চুলের জন্য প্রয়োজন। এলোভেরার পাতার ভিতরের শাঁস দিয়ে শরবত বানিয়ে খেতে পারেন।

শসা

শসাতে আছে যথেষ্ট পরিমাণে সিলিকা, সালফার এবং ভিটামিন এ। এই উপাদান চুলের বৃদ্ধি ঘটায় এবং চুল পড়া বন্ধ করে। কাঁচা শসার জুস স্বাস্থ্যকর এবং চুল গজাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন খোসাসহ একটি কচি শসা খেলে নতুন চুল গজাবে।

Share This Post

Post Comment